বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান
★ বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান ২০⁰ ৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬⁰ ৩৮` উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।
বাংলাদেশের সীমানাবর্তী বিভীন্ন রাজ্যঃ-
১. আয়াতনে সবচেয়ে বড় বিভাগ - চট্টগ্রাম।
২.আয়াতনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ - ময়মনসিং
৩. জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ - ঢাকা।
৪. জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট বিভাগ - বরিশাল।
৫. আয়তনে বড় জেলা - রাঙামাটি।
৬. আয়তনে ছোট জেলা - নারায়নগন্জ।
৭.জনসংখ্যায় বড় জেলা-ঢাকা।
৮. জনসংখ্যায় ছোট জেলা-বান্দরবন।
৯. আয়তনে বড় থানা-শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)
১০. আয়তনে ছোট থানা- কোতোয়ালী(ঢাকা)।
১১. জনসংখ্যায় বড় থানা-বেগমগঞ্জ, (নোয়াখালী)।
১২. জনসংখ্যায় ছোট থানা- রাজস্থলী,
(রাঙামাটি)। (অন্য অপশন বিমানবন্দর, ঢাকা)।
১৩. আয়াতনে সবচেয়ে বড় উপজেলা-
শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
১৪. আয়াতনে সবচেয়ে ছোট উপজেলা -
হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ।
১৫. জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় উপজেলা -
গাজীপুর সদর।
১৬. জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট উপজেলা -
কর্ণফুলী, চট্রগ্রাম।
১৭. আয়াতনে সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন -
গাজীপুর।
১৮. আয়াতনে সবচেয়ে ছোট সিটি কর্পোরেশন-
★ বাংলাদেশের ভূমি উত্তর পূর্ব দিক থেকে, দক্ষিণ পূর্ব দিকে ক্রমশ: ঢালু।
★ বাংলাদেশের পাদদেশীয় সমভূমি এলাকা-রংপুর ও দিনাজপুর।
★ সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা-৩৭.৫০মি.
★ সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবস্থিত- বঙ্গপসাগরে।
★ গাবখান চ্যানেল এটি ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত।গাবখান চ্যানেলটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা বাংলার সুয়েজখাল নামে পরিচিত। সন্ধ্যা ও সুগন্ধা নদীর সংযোগ কারি কৃত্রিম খালটি ১৮ কিমি দৈর্ঘ্য। চ্যানেলের দু'পাশে সবুজের সমারোহ।
★ এবং ৮৮⁰ ০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে ৯২⁰ ৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত।
★ কর্কটক্রান্তি রেখা বা ট্রপিক অব ক্যান্সার বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা।
★ পূর্ব-পশ্চিমে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. প্রায়।
★ এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি. প্রায়।
★ কর্কটক্রান্তি রেখা বা ট্রপিক অব ক্যান্সার বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা।
★ পূর্ব-পশ্চিমে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. প্রায়।
★ এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি. প্রায়।
বাংলাদেশের সীমানাবর্তী বিভীন্ন রাজ্যঃ-
১. উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ আসাম ও মেঘালয়।
২. পূর্বে আসাম ত্রিপুরা মিজোরাম।
৩. দক্ষিনে বঙ্গোপসাগর।।
৪. পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।
@ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি।
@ বাংলাদেশ শুধুমাত্র ভারতের সাথে জেলা-৩০ টি।
@ বাংলাদেশ শুধুমাত্র মায়ানমারের সাথে জেলা- ৩ টি।
@ রাঙ্গামাটির সাথে ভারত ও মিয়ানমারের-
সিমান্ত সংযোগ রয়েছে।
@ কয়টি বিভাগের কোন জেলাই বহিঃরাষ্ট্রের
সাথে সীমান্ত সংযোগ নাই- ২টি (ঢাকা, বরিশাল)।
@ কোন বিভাগের কোনো জেলা কোনো সীমান্ত।
বা উপকূলীয় এলাকায় নাই- ঢাকা।
@ একমাত্র জেলা ময়মনসিংহ যার প্রতিটা জেলা সীমান্তে।
বাংলাদেশের (প্রথম-সর্বশেষ, ছোট-বড়) বিভাগ , জেলা , থানা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন, গ্রামঃ-
(জনসংখ্যায় বিশ্বে ৮ নং, আয়াতনে বিশ্বে ৯৪ তম, বিভাগ ৮টি, জেলা ৬৪ টি, থানা ৬৫২টি, উপজেলা ৪৯৫ টি, ইউনিয়ন ৪৫৫৪টি, পৌরসভা ৩৩০টি, সিটি কর্পোরেশন ১২টি, গ্রাম ৮৭৩১৯ টি, মৌজা ৫৯৯৯০টি)
১. আয়াতনে সবচেয়ে বড় বিভাগ - চট্টগ্রাম।
২.আয়াতনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ - ময়মনসিং
৩. জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ - ঢাকা।
৪. জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট বিভাগ - বরিশাল।
৫. আয়তনে বড় জেলা - রাঙামাটি।
৬. আয়তনে ছোট জেলা - নারায়নগন্জ।
৭.জনসংখ্যায় বড় জেলা-ঢাকা।
৮. জনসংখ্যায় ছোট জেলা-বান্দরবন।
৯. আয়তনে বড় থানা-শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)
১০. আয়তনে ছোট থানা- কোতোয়ালী(ঢাকা)।
১১. জনসংখ্যায় বড় থানা-বেগমগঞ্জ, (নোয়াখালী)।
১২. জনসংখ্যায় ছোট থানা- রাজস্থলী,
(রাঙামাটি)। (অন্য অপশন বিমানবন্দর, ঢাকা)।
১৩. আয়াতনে সবচেয়ে বড় উপজেলা-
শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
১৪. আয়াতনে সবচেয়ে ছোট উপজেলা -
হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ।
১৫. জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় উপজেলা -
গাজীপুর সদর।
১৬. জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট উপজেলা -
কর্ণফুলী, চট্রগ্রাম।
১৭. আয়াতনে সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন -
গাজীপুর।
১৮. আয়াতনে সবচেয়ে ছোট সিটি কর্পোরেশন-
সিলেট।
১৯. জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন-
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
২০. জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট সিটি কর্পোরেশন - কুমিল্লা।
২১. আয়াতনে সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন - সাজেক,
রাঙ্গামাটি।
২২. আয়াতনে সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন - সেন্টমার্টিন।
২৩. জনসংখ্যায় সবথেকে বড় ইউনিয়ন -
ধামসোনা, সাভার, ঢাকা।
২৪. জনসংখ্যায় সবথেকে ছোট ইউনিয়ন -
হাজীপুর, দৌলতখান, ভোলা।
২৫. আয়াতনে সবচেয়ে বড় পৌরসভা - বগুড়া
২৬. আয়াতনে সবচেয়ে ছোট পৌরসভা - বনারীপাড়া, বরিশাল ।
২৭. জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় পৌরসভা -বগুড়া
সদর।
২৮. জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট পৌরসভা - কেটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
২৯.সবচেয়ে বড় গ্রাম-বানিয়াচং, হবিগঞ্জ।
৩০.সবচেয়ে ছোট গ্রাম - শ্রীমুখ, সিলেট।
৩১. সবচেয়ে উঁচু জেলা - দিনাজপুর।
৩২. সবচেয়ে নিচু জেলা - কিশোরগঞ্জ।
দিক অনুসারে বিশেষ স্থানঃ-
১.সর্ব পূর্বের জেলা-বান্দরবন।
২.সর্ব পশ্চিমের জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
৩.সর্ব উত্তরের জেলা-পঞ্চগড়।
৪.সর্ব দক্ষিণের জেলা-কক্সবাজার।
১৯. জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন-
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
২০. জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট সিটি কর্পোরেশন - কুমিল্লা।
২১. আয়াতনে সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন - সাজেক,
রাঙ্গামাটি।
২২. আয়াতনে সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন - সেন্টমার্টিন।
২৩. জনসংখ্যায় সবথেকে বড় ইউনিয়ন -
ধামসোনা, সাভার, ঢাকা।
২৪. জনসংখ্যায় সবথেকে ছোট ইউনিয়ন -
হাজীপুর, দৌলতখান, ভোলা।
২৫. আয়াতনে সবচেয়ে বড় পৌরসভা - বগুড়া
২৬. আয়াতনে সবচেয়ে ছোট পৌরসভা - বনারীপাড়া, বরিশাল ।
২৭. জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় পৌরসভা -বগুড়া
সদর।
২৮. জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট পৌরসভা - কেটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
২৯.সবচেয়ে বড় গ্রাম-বানিয়াচং, হবিগঞ্জ।
৩০.সবচেয়ে ছোট গ্রাম - শ্রীমুখ, সিলেট।
৩১. সবচেয়ে উঁচু জেলা - দিনাজপুর।
৩২. সবচেয়ে নিচু জেলা - কিশোরগঞ্জ।
দিক অনুসারে বিশেষ স্থানঃ-
১.সর্ব পূর্বের জেলা-বান্দরবন।
২.সর্ব পশ্চিমের জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
৩.সর্ব উত্তরের জেলা-পঞ্চগড়।
৪.সর্ব দক্ষিণের জেলা-কক্সবাজার।
৫.সর্ব পূর্বের থানা/উপজেলা-থানচি।
৬.সর্ব পশ্চিমের থানা-শিবগঞ্জ।
৭.সর্ব উত্তরের থানা-তেঁতুলিয়া।
৮.সর্ব দক্ষিণের থানা-টেকনাফ।
৯.সর্ব পূর্বের ইউনিয়ন-তিন্দু।
১০.সর্ব পশ্চিমের ইউনিয়ন- মনাকষা।
১১.সর্ব উত্তরের ইউনিয়ন - বাংলাবান্ধা ।
১২.সর্ব দক্ষিণের ইউনিয়ন - সেন্টমার্টিন।
১৩.সর্ব পূর্বের স্থান-আখাইন ঠং।
১৪. সর্ব পশ্চিমের স্থান-মনাকশা।
১৫.সর্ব উত্তরের স্থান- জায়গীরজোত।
১৬.সর্ব দক্ষিণের স্থান-ছেঁড়াদ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
১৭. সর্ব উত্তর পশ্চিম কোণ - তেতুঁলিয়া, পঞ্চগড়
১৮. সর্ব উত্তর পূর্ব কোণ - জকিগঞ্জ, সিলেট।
১৯. সর্ব দক্ষীন পশ্চিম কোণ - শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
২০. সর্ব দক্ষীন পূর্ব কোণ - টেকনাফ, কক্সবাজার।
সীমান্ত এলাকাঃ-
(বাংলাদেশের মেট আয়াতন ১৪৭৫৭০বর্গ কিমি. সমুদ্র ক্ষেত্রফল ১১৮৮১৩ বর্গ কিমি.)
৬.সর্ব পশ্চিমের থানা-শিবগঞ্জ।
৭.সর্ব উত্তরের থানা-তেঁতুলিয়া।
৮.সর্ব দক্ষিণের থানা-টেকনাফ।
৯.সর্ব পূর্বের ইউনিয়ন-তিন্দু।
১০.সর্ব পশ্চিমের ইউনিয়ন- মনাকষা।
১১.সর্ব উত্তরের ইউনিয়ন - বাংলাবান্ধা ।
১২.সর্ব দক্ষিণের ইউনিয়ন - সেন্টমার্টিন।
১৩.সর্ব পূর্বের স্থান-আখাইন ঠং।
১৪. সর্ব পশ্চিমের স্থান-মনাকশা।
১৫.সর্ব উত্তরের স্থান- জায়গীরজোত।
১৬.সর্ব দক্ষিণের স্থান-ছেঁড়াদ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
১৭. সর্ব উত্তর পশ্চিম কোণ - তেতুঁলিয়া, পঞ্চগড়
১৮. সর্ব উত্তর পূর্ব কোণ - জকিগঞ্জ, সিলেট।
১৯. সর্ব দক্ষীন পশ্চিম কোণ - শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
২০. সর্ব দক্ষীন পূর্ব কোণ - টেকনাফ, কক্সবাজার।
সীমান্ত এলাকাঃ-
(বাংলাদেশের মেট আয়াতন ১৪৭৫৭০বর্গ কিমি. সমুদ্র ক্ষেত্রফল ১১৮৮১৩ বর্গ কিমি.)
১. মোট সীমান্ত - ৫১৩৮ কি.মি.
২. স্থলসীমা - ৪৪২৭ কি.মি.
@ ভারত - ৪১৫৬ কি.মি.(৯৪%)
@ মিানমার - ২৭১ কি.মি.(৬%)
৩. জলসীমা - ৭১৬ কি.মি.
৪. রাজনৈতিক সমুদ্র সীমা (টেরিটোরিয়াল সি) - ১২ ন্যাটিক্যাল মাইল। (অনুমতি বিহীন কোনো প্রকার বহিঃরাষ্ট্রের সামরিক বেসামরিক যে কোন প্রকার জাহাজ, বিমান প্রবেশ করতে পারবেনা। শুধু তাই নয় এই এলাকায় ঐ মালিক রাষ্ট্র আকাশ বাতাস সমুদ্র বেড ও সমুদ্রবেডের নিচের ভূ-গর্ভ সমস্ত কিছুর একক মালিক। তাই ঐ সিমানায় কোনো এয়াপ্লেন ও অনুমতি বিহীন ঢুকতে পারবেনা।)
৫. অর্থনৈতিক সুমদ্রসীমা - ২০০ ন্যটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিলো মিটার)। (এ এলাকায় বহিঃরাষ্ট্রের যে কোনো জাহাজ, প্লেন প্রবেশ করতে পারবে অনুমতি বহীন তবে, আকাশ, বাতাস, সমুদ্র বেড ও সমুদ্রবেডের নিচের ভূ-গর্ভ সমস্ত কিছু সম্পদের একক মালিক ঐ রাষ্ট্রই থাকবে। এর পরের দূরত্বের অংশে আন্তর্জাতিক সকল রাষ্ট্র চলাচল ও সম্পদ আহরন করতে পারবে।)
৬. বাংলাদেশের সর্বচ্চ উপকূলীয় ভূখন্ড - ৩৫৪ ন্যাটিক্যাল মাইল, (৬৫৬ কিলো মিটার)।
৭. সুমদ্র তট রেখার দৈর্ঘ্য - ৩১৩ ন্যাটিক্যাল মাইল (৫৮০ কি.মি.)।
৮. মোট সীমান্ত - ৩২ টি
@ ভারতের সাথে - ৩০ টি
@ মিয়ানমারের সাথে - ২ টি
২. স্থলসীমা - ৪৪২৭ কি.মি.
@ ভারত - ৪১৫৬ কি.মি.(৯৪%)
@ মিানমার - ২৭১ কি.মি.(৬%)
৩. জলসীমা - ৭১৬ কি.মি.
৪. রাজনৈতিক সমুদ্র সীমা (টেরিটোরিয়াল সি) - ১২ ন্যাটিক্যাল মাইল। (অনুমতি বিহীন কোনো প্রকার বহিঃরাষ্ট্রের সামরিক বেসামরিক যে কোন প্রকার জাহাজ, বিমান প্রবেশ করতে পারবেনা। শুধু তাই নয় এই এলাকায় ঐ মালিক রাষ্ট্র আকাশ বাতাস সমুদ্র বেড ও সমুদ্রবেডের নিচের ভূ-গর্ভ সমস্ত কিছুর একক মালিক। তাই ঐ সিমানায় কোনো এয়াপ্লেন ও অনুমতি বিহীন ঢুকতে পারবেনা।)
৫. অর্থনৈতিক সুমদ্রসীমা - ২০০ ন্যটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিলো মিটার)। (এ এলাকায় বহিঃরাষ্ট্রের যে কোনো জাহাজ, প্লেন প্রবেশ করতে পারবে অনুমতি বহীন তবে, আকাশ, বাতাস, সমুদ্র বেড ও সমুদ্রবেডের নিচের ভূ-গর্ভ সমস্ত কিছু সম্পদের একক মালিক ঐ রাষ্ট্রই থাকবে। এর পরের দূরত্বের অংশে আন্তর্জাতিক সকল রাষ্ট্র চলাচল ও সম্পদ আহরন করতে পারবে।)
৬. বাংলাদেশের সর্বচ্চ উপকূলীয় ভূখন্ড - ৩৫৪ ন্যাটিক্যাল মাইল, (৬৫৬ কিলো মিটার)।
৭. সুমদ্র তট রেখার দৈর্ঘ্য - ৩১৩ ন্যাটিক্যাল মাইল (৫৮০ কি.মি.)।
৮. মোট সীমান্ত - ৩২ টি
@ ভারতের সাথে - ৩০ টি
@ মিয়ানমারের সাথে - ২ টি
@ ভারত মিয়ানমার সংলগ্ন -১টি
(রাঙ্গামাটি)
৯. উপকূলবর্তী জেলা - ১৯টি
(রাঙ্গামাটি)
৯. উপকূলবর্তী জেলা - ১৯টি
আবহাওয়া সাপেক্ষেঃ-
১. সর্বচ্চ উষ্ণ যায়গা - নাটোরের লালাপুর।
২. সর্বচ্চ শীতলতম যায়গা - শ্রীমঙ্গল, সিলেট।
৩. সর্বচ্চ বৃষ্টিপাত - লালাখান, সিলেট।
৪. সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত - লালাপুর, নাটোর।
৫. গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, বিল, হাওড়, বাওড়, হৃদ, দ্বীপ-বদ্বীপ, গাছ, বন সাপেক্ষেঃ-
১. জলপ্রপাত
@ বৃহত্তম - নাফাখুম, বান্দরবন।
১. সর্বচ্চ উষ্ণ যায়গা - নাটোরের লালাপুর।
২. সর্বচ্চ শীতলতম যায়গা - শ্রীমঙ্গল, সিলেট।
৩. সর্বচ্চ বৃষ্টিপাত - লালাখান, সিলেট।
৪. সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত - লালাপুর, নাটোর।
৫. গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, বিল, হাওড়, বাওড়, হৃদ, দ্বীপ-বদ্বীপ, গাছ, বন সাপেক্ষেঃ-
১. জলপ্রপাত
@ বৃহত্তম - নাফাখুম, বান্দরবন।
@ সুউচ্চ - মাধবকুণ্ড, মৌলভিবাজার, (বড়লেখা উপজেলায়)
২. নদী
@ দৈর্ঘ্যে- সুরমা। (Longest River)
@ প্রস্থ/চওড়ায় - মেঘনা।
২. নদী
@ দৈর্ঘ্যে- সুরমা। (Longest River)
@ প্রস্থ/চওড়ায় - মেঘনা।
@ বৃহত্তম (পানির পরিমান হিসাবে) - মেঘনা এশিয়ার বৃহত্তম এবং পৃথীবির ৩য় বৃহত্তম। (Biggest River)
@ গভীরতায় - মেঘনা।
@ খরস্রোত নদি - কর্ণফুলী।
@ ক্ষুদ্রতম - গোবরা।
@ গভীরতায় - মেঘনা।
@ খরস্রোত নদি - কর্ণফুলী।
@ ক্ষুদ্রতম - গোবরা।
৩. নদ
(যে সকল নদীর নাম পুরুষদের নামানুসারে তাদেরকে নদ বলে)
@ দীর্ঘতম/দীর্ঘপথ অতিক্রমকারী - ব্রহ্মপুত্র নদ।
৪. হাওড়
@ বৃহত্তম হাওড় - হাকালুকির হাওড়, সিলেট।
@ ২য় বৃহত্তম হাওড় - টাঙ্গুার হাওড়, সুনামগঞ্জ।
@ ক্ষুদ্রতম - বুরবুক, সিলেট।
৫. বাওড়
@ বৃহত্তম - বাওড়, বালুহর, পোড়াপাড়া, ঝিনাইদাহ।
@ ক্ষুদ্রতম - সারজাত, ঝিনাইদহ।
৬. পাহাড়
@ দীর্ঘতম/দীর্ঘপথ অতিক্রমকারী - ব্রহ্মপুত্র নদ।
৪. হাওড়
@ বৃহত্তম হাওড় - হাকালুকির হাওড়, সিলেট।
@ ২য় বৃহত্তম হাওড় - টাঙ্গুার হাওড়, সুনামগঞ্জ।
@ ক্ষুদ্রতম - বুরবুক, সিলেট।
৫. বাওড়
@ বৃহত্তম - বাওড়, বালুহর, পোড়াপাড়া, ঝিনাইদাহ।
@ ক্ষুদ্রতম - সারজাত, ঝিনাইদহ।
৬. পাহাড়
@ বৃহত্তম পাহাড় - ময়মনসিংহের গারো পাহাড়, (২০০ বর্গ কিলোমিটার)
৭. পর্বত শৃঙ্গ
@বৃহত্তম/ সুউচ্চ/সর্বচ্চ খাড়া- তাজিংডং (বিজয়), রুমা, বান্দরবান।
@২য় বৃহত্তম/ সুউচ্চ/সর্বচ্চ খাড়া- কেও কারা ডাং,
৭. পর্বত শৃঙ্গ
@বৃহত্তম/ সুউচ্চ/সর্বচ্চ খাড়া- তাজিংডং (বিজয়), রুমা, বান্দরবান।
@২য় বৃহত্তম/ সুউচ্চ/সর্বচ্চ খাড়া- কেও কারা ডাং,
৮. হৃদ
@ বৃহত্তম - কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি।
৯. গাছ
@ দির্ঘ - বৈলাম, পার্বত্য এলাকায়।
১০. বন
@ বৃহত্তম বন / বৃহত্তম লোনা পানির বন - সুন্দরবন
@ একমাত্র কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ বন - চকোরিয়া, কক্সসবাজার
@ বৃহত্তম - কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি।
৯. গাছ
@ দির্ঘ - বৈলাম, পার্বত্য এলাকায়।
১০. বন
@ বৃহত্তম বন / বৃহত্তম লোনা পানির বন - সুন্দরবন
@ একমাত্র কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ বন - চকোরিয়া, কক্সসবাজার
@ অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি - পার্বত্য চট্রগ্রামের বনভূমি।
@ বৃহত্তম উদ্যান - সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।
১০. বিল
@ বৃহত্তম- চলন বিল।
১১. খাল
@ বৃহত্তম - গাবখান চ্যানেল, ঝালোকাঠি ১৮ কিলোমিটার। (কৃত্রিম খাল)
★ বাংলাদেশের ভূমি উত্তর পূর্ব দিক থেকে, দক্ষিণ পূর্ব দিকে ক্রমশ: ঢালু।
★ বাংলাদেশের পাদদেশীয় সমভূমি এলাকা-রংপুর ও দিনাজপুর।
★ সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা-৩৭.৫০মি.
★ সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবস্থিত- বঙ্গপসাগরে।
★ গাবখান চ্যানেল এটি ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত।গাবখান চ্যানেলটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা বাংলার সুয়েজখাল নামে পরিচিত। সন্ধ্যা ও সুগন্ধা নদীর সংযোগ কারি কৃত্রিম খালটি ১৮ কিমি দৈর্ঘ্য। চ্যানেলের দু'পাশে সবুজের সমারোহ।

.jpg)
Comments
Post a Comment